Home » Lead News » চাঁদপুর ও হাইমচরের মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

চাঁদপুর ও হাইমচরের মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

Share Button

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সাথে কনো এগুলো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তার জন্য রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এরসাথে এই অবৈধ কাজের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হবে না সেই মর্মে রুল জারি করেছেন বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
জৈনক মোঃ মাহমুদুল হাসানের দায়েরকৃত এক রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ৩ ফেব্রুয়ারি এই আদেশ জাারি করেন উল্লেলিত আদেশ প্রদান করেন। গত ৭ফেব্রুয়ারি আদেশের কপি পাওয়া গেছে।
রিট পিটিশনে বলা হয়, চাঁদপুর সদর ও হাইমচর রাজরাজেশ্বর, নীলারচর, ইব্রাহিমপুুর, জাফরাবাদ, সফরমালী, মনোহরখাদি, চরজহিরউদ্দিন, চরপ্রকাশ, চর লগ্মিমারা, মরার চর, চর জাহাজ মারা, চালতাতলি, গুনানন্দী, ইন্দুলী, সাখুয়া, গোরাপিয়া, ইচলী, দক্ষিণ পেয়ারচর ও মির্জাপুর মৌজায় মেঘনা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করছে একটি চক্র। দিনে ও রাতে মের্সাস সেলিম এন্টারপ্রাইজ, বৃৃষ্টি এন্টারপ্রাইজ মাধ্যমে সেলিম খাঁন, বোরহান খান, আহার খালাসী, মনির ভূঁইয়া ও দানেশ চেয়ারম্যান গংদের নেতৃত্বে অসংখ্য অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন ও ক্রয়-বিক্রয় চলছে। মেঘনা নদীতে থ্রিস্টার ড্রেজিং, টিটু হাসান ড্রেজিং, হাসান হোসেন ড্রেজিং, নয়ানগর ড্রেজিং, শাহপরান ড্রেজিং, ও ইনশাআল্লাহ ড্রেজিং দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকায় সরকার বঞ্চিত হচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে। অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধ করতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একাধিকবার নির্দেশ দেয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। বন্ধ হয়নি অবৈধভাবে বালি উত্তোলন। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার কারণে তীব্র ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়েছে চাঁদপুর শহররক্ষা বাঁধ, ঐতিহ্যবাহী পুরানবাজার ও হাইমচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা।
বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন (নং ৯৯৫/২০১৯) করেন চাঁদপুর জেলার মো. মাহমুদুল হাসান।
তার আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বেঞ্চ অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছেন। চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার, চাঁদপুরের নৌ-পুলিশ সুপার, মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ, চাঁদপুর নৌ-থানার অফিসার ইনচার্জ, চাঁদপুরস্থ বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক, চাঁদপুর কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডারকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

Facebook Comments
Share Button